Amazon

করোনা রোগের পরীক্ষার জন্য নিজের শরীর দান করলেন উত্তরপ্রদেশ এ.বি.ভি.পি এর প্রান্ত সম্পাদক


উত্তর প্রদেশ: বর্তমান বিশ্বের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের সেবার জন্য এগিয়ে এসেছে অনেক সংগঠন। সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এই ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। সমস্ত দেশে তারা ছাত্রদের সুবিদার্থে অনেক কাজ করে চলেছেন। এই রাজ্যেও বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলায় চালু করা হয়েছে স্টুডেন্ট হেল্পলাইন নম্বর।শুধুমাত্র ছাত্র নয় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যায়  এগিয়ে এসেছে বিদ্যার্থী পরিষদ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দুস্থ মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছে পরিষদের ছাত্র নেতারা।

উত্তরপ্রদেশের বিদ্যার্থী পরিষদ এর রাজ্য সম্পাদক রাঘবেন্দ্র সিংহ করোনা রোগের চিকিৎসার জন্য তার শরীর দান করেছেন। তার মনে সমাজ ও দেশের সেবার করার এটাই সঠিক সময়। তিনি তার এই কাজের মাধ্যমে দেশের যুব সমাজকে তার দেশের প্রতি কর্তব্যের কথা মনে করতে চেয়েছেন।

রাঘবেন্দ্র সিংহ এর এই কাজ অবশ্যই প্রশংসনীয়। তিনি তার দেশ ও সমাজের কথা ভেবে যে আত্ম বলিদান দিয়েছেন তা দেশের সমস্ত যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করবে। রঘোবেন্দ্র সিংয়ের এই অবদান অবশ্যই দেশ মনে রাখবে। বিপদের সময়ে এইভাবে দেশের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি সত্যি দেশকে ভালবাসেন এবং দেশের সেবা করার জন্যই তার জন্ম হয়েছে।

করোনা ভাইরাস এর এই কঠিন সংকটের মুহূর্তে ভারত তথা সমস্ত বিশ্বের এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে রাঘবেন্দ্র সিং এর এই অবদান অনস্বীকার্য। তার এই অবদান সত্যিই অতুলনীয় এবং প্রশংসার যোগ্য। তাকে অনুপ্রেরণা মেনে দেশের সমস্ত যুব সমাজকে দেশের সেবার জন্য সামনে আসা উচিত। সাধারণ মানুষের সেবার মাধ্যমে দেশের সেবায় নিযুক্ত হওয়া উচিত।

এই কঠিন মুহূর্তে ভারতের সমস্ত ব্লাড ব্যাংক গুলিতে রক্তের অভাব দেখা দিচ্ছে তাই সমস্ত যুবসমাজকে তিনি ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দান করার জন্য উপদেশ দিয়েছেন। সবাই তাদের নিকটবর্তী ব্লাড ব্যাংক গুলিতে  রক্ত দান করুন এবং দেশের রক্তের যে সংকট দেখা দিচ্ছে তা পূরণ করুন। দেশের প্রতি কর্তব্য পালনের এটাই সঠিক সময়। সবাই এগিয়ে আসুন এবং ভারতবর্ষকে করোনা মুক্ত করে তুলতে নিজে যোগদান করুন।

সরকার দ্বারা প্রযোজ্য লকডাউন মেনে চলবেন এবং বাড়িতে থেকেই দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করবেন। সতর্ক থাকুন এবং কোন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াবেন না। আপনার যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে আপনার বাড়ির আশেপাশের কিছু গরিব লোকের দুই বেলা খাবার দায়িত্ব নিন এবং লকডাউন তাদের অন্নদাতা হয়ে উঠুন। আপনার সামান্য কিছু সাহায্য তার দুই বেলার খাবারের যোগান দিতে পারে এবং রোগ দমনে তাকে সুস্থ সবল রাখতে পারে।

Post a Comment

0 Comments