Amazon

ভারত - চীন সীমান্তে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে দুই দেশের সেনা!


দিল্লি: সমস্ত বিশ্বের এই করোনাময় পরিস্থিতিতে চীন এবং ভারত সীমান্তে দুই সেনার মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বহু আগে থেকেই চীন আশেপাশের ছোট দেশগুলোর সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক সীমানা বারবার সমস্যা সৃষ্টি করেছে। এই ভাবে চীন তিব্বত কেউ দখল করে রেখেছে। ভারতের সাথে ও আন্তরিক সেবা কেন্দ্র করে চীনের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। ভারতেরও সামান্য কিছু অংশ চীন দখল করে রেখেছে। এখন আন্তর্জাতিক সীমাকে কেন্দ্র করে আবার ভারতের সঙ্গে সমস্যা সৃষ্টি করছে চীন।

বর্তমানে সমস্ত বিশ্ব করণা ভাইরাসের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেও চীন ভারতের সঙ্গে সীমা বিবাদে যুক্ত রয়েছে। ভারত এলএসসি তে ভারতীয় এলাকায় ফিঙ্গার থ্রি এবং ফিঙ্গার ফোর এ দুটি রাস্তা তৈরি করতে চেয়েছিল কিন্তু সেখানেও চীনা সেনা বিরোধ প্রকাশ করে এবং সীমায় রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয়। অন্যদিকে চীনা সেনা আবার নেপাল সীমান্তে একটি ফাইভ জি মোবাইল টাওয়ার লাগিয়েছে।এই বিষয়গুলো কে কেন্দ্র করে ভারতের সেনা এবং চিনা সেনার মধ্যে প্রায়ই দ্বন্দ্ব হচ্ছে।

জানা গিয়েছে যে চীন ভারত - চীন সীমান্তে সেনা শক্তি বাড়াচ্ছে এবং যুদ্ধাস্ত্র মোতায়ন বাড়াচ্ছে। এই দেখে ভারতীয় সেনার তরফ থেকেও যুদ্ধাস্ত্র এবং সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। করোনা মহামারীর এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভারত-চীন সীমান্তের লাদাখ অঞ্চলে পরিস্থিতি খুবই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সীমান্তে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে হাতাহাতিও হয়েছে বেশ কয়েকবার এবং তাতে দুই দেশের কিছু সেনাই আহত হয়েছে।

আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্ঠা অজিত দোভাল, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নরবনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ভারত চীন সীমান্তে সেনা বাড়ানোর কথা এবং বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র মোতায়নের কথা উঠে এসেছে। চীনের সমস্ত রকম আক্রমণের প্রতিরোধ করার জন্যে ভারত-চীন সীমান্তে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নরবনে তিন সেনা প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং তাদের সমস্ত রকম যুদ্ধের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। চীনের এই সীমা বিস্তার নীতির ভারত তীব্র বিরোধিতা করবে এবং সেই ক্ষমতা ভারতের কাছে আছে বলে জানিয়েছেন জেনারেল মুকুন্দ নরাবনে। ভারত এখন এই নিশিতে চীনের সমস্ত রকম অপমানের প্রতিবাদ এবং তার লক্ষ্য জবাব দিতে পারবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান।

আমেরিকা শুরু থেকেই করোনাভাইরাস এর সৃষ্টি কর্তা বলে চীনকে আক্রমণ করে আসছে। শুধুমাত্র আমেরিকায় নয় আমেরিকা ছাড়াও জাপান ভারত সহ অন্যান্য কিছু দেশ করানো হয়েছে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে চীনকে দায়ী করছে। এছাড়া চিনেও এই কর্ণ সংক্রমনের ফলে বহু লোক মারা গেছে। অনেকের মধ্যে চিন্তার দেশের খামতি দূর করার জন্যই দেশের লোকেদের দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানো চেষ্টা করছে। এবং এই কারনেই চীন ভারতের সঙ্গে এবং অন্যান্য কিছু দেশের সঙ্গে সীমা বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে।

অনেকে মনে করছেন চীন দেখাতে চাইছে যে চীনের একাই শুধু প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সীমা নিয়ে বিবাদ নেই ভারতেরও আছে। অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা এবং জাপান ছাড়া অন্য দেশের কোম্পানিগুলো চীন ছেড়ে উঠে আসছে এবং তারা নতুন বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারতকে তাই চীন ভারতের উপর খুব রেগে আছে এবং সংখ্যা করছি ভারত খুব দ্রুত বিশ্বগুরু হয়ে যেতে পারে। অনেকে আশঙ্কা করছেন যে ভারতের বিশ্বগুরু হওয়া আটকানোর জন্যই চীন ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। যদিও ভারত এখন সমস্ত রকম যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত এবং যিনি সমস্ত রকম আঘাতের প্রত্যাঘাত দিতে সক্ষম।

Post a Comment

0 Comments